Dawatul Islam | সূরা আল কারিয়াহ- উচ্চারণ, অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

বৃহস্পতিবার, ০২, এপ্রিল, ২০২৬ , ১৯ চৈত্র ১৪৩২

সূরা আল কারিয়াহ- উচ্চারণ, অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
১৬ অক্টোবর ২০২২ ০১:০৫ মিনিট

সূরা আল-কারিয়াহ কুরআন মাজিদের ১০১ নম্বার সূরা। এই সূরার মোট আয়াত সংখ্যা ১১ টি। সূরা আল-কারিয়াহ এর বাংলা অর্থ- মহাসংকট। সূরা আল-কারিয়াহ মাক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

সূরা আল কারিয়াহ- আরবী বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

ٱلْقَارِعَةُ

১) আল কা-রি‘আহ ।

১) করাঘাতকারী,

مَا ٱلْقَارِعَةُ

২) মাল কা-রি‘আহ।

২) করাঘাতকারী কি?

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْقَارِعَةُ

৩) ওয়ামাআদরা-কা মাল কা-রি‘আহ।

৩) করাঘাতকারী সম্পর্কে আপনি কি জানেন ?

يَوْمَ يَكُونُ ٱلنَّاسُ كَٱلْفَرَاشِ ٱلْمَبْثُوثِ

৪) ইয়াওমা ইয়াকূনুন্না-ছুকাল ফারা-শিল মাবছূছ।

৪) যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতংগের মত

وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ ٱلْمَنفُوشِ

৫) ওয়া তাকূনুল জিবা-লুকাল‘ইহনিল মানফূশ।

৫) এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।

فَأَمَّا مَن ثَقُلَتْ مَوَٰزِينُهُۥ

৬) ফাআম্মা-মান ছাকুলাত মাওয়া-ঝীনুহূ।

৬) অতএব যার পাল্লা ভারী হবে,

فَهُوَ فِى عِيشَةٍ رَّاضِيَةٍ

৭) ফাহুওয়া ফী ‘ঈশাতির রা-দিয়াহ।

৭) সে সুখীজীবন যাপন করবে।

وَأَمَّا مَنْ خَفَّتْ مَوَٰزِينُهُۥ

৮) ওয়া আম্মা-মান খাফফাত মাওয়াঝীনুহূ

৮) আর যার পাল্লা হালকা হবে,

فَأُمُّهُۥ هَاوِيَةٌ

৯) ফাউম্মুহূহা-বিইয়াহ।

৯) তার ঠিকানা হবে হাবিয়া।

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا هِيَهْ

১০) ওয়ামাআদরা-কা মা-হিয়াহ।

১০) আপনি জানেন তা কি?

نَارٌ حَامِيَةٌۢ

১১) না-রুন হা-মিয়াহ।

১১) প্রজ্জ্বলিত অগ্নি!

সূরা আল কারিয়াহ এর তাফসীর

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ সেটা এক জ্বলন্ত অগ্নি। ঐ আগুন খুবই দাউদাউ করে জ্বলে ক্ষণিকের মধ্যে ভস্মীভূত করে দেয়। 

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তোমাদের এ আগুনের তেজ জাহান্নামের আগুনের তেজের মাত্র সত্তর ভাগের এক ভাগ।” জনগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ“হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! ধ্বংস করার জন্যে তো এ আগুনই যথেষ্ট?” উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “তা ঠিক কিন্তু জাহান্নামের আগুন এর চেয়ে উনসত্তর গুণ বেশী তেজস্বী।

সহীহ বুখারীতে এ হাদীস রয়েছে এবং তাতে আরো রয়েছেঃ “ওর প্রত্যেক অংশ এই আগুনের মত।" মুসনাদে আহমাদেও এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। মুসনাদের একটি হাদীসে এটাও রয়েছে যে, দুনিয়ার এ আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের এক ভাগ হওয়া সত্ত্বেও সমুদ্রের পানিতে দু’বার ধুয়ে দুনিয়ায় পাঠানো হয়েছে।

এরূপ না করা হলে দুনিয়ার আগুন দ্বারা উপকার গ্রহণ করা সম্ভব হতো না। অন এক হাদীসে রয়েছে যে, দুনিয়ার এ আগুনের তেজ জাহান্নামের আগুনের তেজের একশ' ভাগের এক ভাগ মাত্র।



সব সংবাদ