Dawatul Islam | সুরা আন নাবা- উচ্চারণ ও অনুবাদ

বৃহস্পতিবার, ০২, এপ্রিল, ২০২৬ , ১৯ চৈত্র ১৪৩২

সুরা আন নাবা- উচ্চারণ ও অনুবাদ
২২ মার্চ ২০২৪ ০১:০৩ মিনিট

সূরার নাম : আন নাবা

অর্থ : সংবাদ

সূরা নং : ৭৮

রুকু :

আয়াত: ৪০

সিজদা: ০

শব্দ:

পারা : ৩০

অক্ষর:

মক্কায় অবতীর্ণ

بِسْمِاللّهِالرَّحْمـَنِالرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

নং

আরবি

উচ্চারণ

অনুবাদ

عَمَّ يَتَسَاءَلُونَ

আম্মা ইয়াতাসায়ালূন্।

তারা একে অপরকে কিনিয়ে প্রশ্ন করছে?

عَنِ النَّبَإِ الْعَظِيمِ

আনিন্নাবায়িল্ ‘আজীমি

মহান খবর সম্পর্কে

الَّذِي هُمْ فِيهِ مُخْتَلِفُونَ

আল্লাযী হুম্ ফীহি মুখ্তালিফূন্।

যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে।

كَلا سَيَعْلَمُونَ

কাল্লা-সাইয়া’লামূন্।

কখনো না, শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।

ثُمَّ كَلا سَيَعْلَمُونَ

ছুম্মা কাল্লা সাইয়া’লামূন্।

তারপর কখনো না, তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

أَلَمْ نَجْعَلِ الأرْضَ مِهَادًا

আলাম্ নাজ্ব‘আলিল্ র্আদ্বোয়া মিহা-দাঁও

আমি কি বানাইনি যমীনকে শয্যা?

وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا

অল্ জ্বিবা-লা আওতা-দাঁও

আর পর্বতসমূহকে পেরেক?

وَخَلَقْنَاكُمْ أَزْوَاجًا

অখলাকনা-কুম্ আয্ওয়া-জ্বাঁও

আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায়জোড়ায়।

وَجَعَلْنَا نَوْمَكُمْ سُبَاتًا

অ জ্বা‘আল্না-নাওমাকুম্ সুবা-তাঁও

আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম।

১০

وَجَعَلْنَا اللَّيْلَ لِبَاسًا

অজ্বা‘আল্নাল্ লাইলা লিবা-সাঁও

আর আমি রাতটা ঢেকে রেখেছি।

১১

وَجَعَلْنَا النَّهَارَ مَعَاشًا

অ জ্বা‘আল্নান্ নাহা-র মা‘আ-শা-

এবং আমি দিনটিকে জীবিকা হিসাবে তৈরি করেছি।

১২

وَبَنَيْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعًا شِدَادًا

অবানাইনা-ফাওক্বকুম্ সাব্‘আন্ শিদাদাঁও

আর আমি তোমাদের উপরে সাতটি শক্তিশালী আকাশনির্মাণ করেছি।

১৩

وَجَعَلْنَا سِرَاجًا وَهَّاجًا

অ জ্বা‘আল্না- সিরাজ্বাঁও অহ্হাজ্বাঁও।

এবং আমি একটি উজ্জ্বল প্রদীপ তৈরি করেছি।

১৪

وَأَنْزَلْنَا مِنَ الْمُعْصِرَاتِ مَاءً ثَجَّاجًا

অআন্যাল্না-মিনাল্ মু’ছির-তি মা-য়ান্ ছাজ্জ্বাজ্বাল্

আর আমি মেঘ থেকে অনেক জল বর্ষণ করেছি।

১৫

لِنُخْرِجَ بِهِ حَبًّا وَنَبَاتًا

লিনুখ্রিজ্বা বিহী হাব্বাঁও অনাবা-তাঁও

যাতে এটি দিয়ে তোমরা ফসল ও গাছপালা উৎপাদনকরতে পার।

১৬

وَجَنَّاتٍ أَلْفَافًا

অজ্বান্না-তিন্ আল্ফা-ফা-।

আর ঘন উদ্যানসমূহ।

১৭

إِنَّ يَوْمَ الْفَصْلِ كَانَ مِيقَاتًا

ইন্না ইয়াওমাল্ ফাছ্লি কা-না মীক্ব-তাঁই।

নিশ্চয়ই বিচারের দিন নির্ধারিত।

১৮

يَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَتَأْتُونَ أَفْوَاجًا

ইয়াওমা ইয়ুন্ফাখু ফিছ্ ছূরি ফাতা”তূনা আফ্ওয়া-জ্বাঁও।

সেদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, অতঃপরতোমরা দলে দলে আসবে।

১৯

وَفُتِحَتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ أَبْوَابًا

অ ফুতিহাতিস্ সামা-য়ু ফাকা-নাত্ আব্ওয়া-বাঁও।

আর আসমান খুলে দেয়া হবে, ফলে তা হবে বহুদ্বারবিশিষ্ট।

২০

وَسُيِّرَتِ الْجِبَالُ فَكَانَتْ سَرَابًا

অসুইয়িরতিল্ জ্বিবা-লু ফাকা-নাত্ সার-বা-।

আর পর্বতসমূহকে চলমান করা হবে, ফলে সেগুলোমরীচিকা হয়ে যাবে।

২১

إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًا

ইন্না জ্বাহান্নামা কা-নাত্ র্মিছোয়া দাল্।

নিশ্চয় জাহান্নাম গোপন ফাঁদ।

২২

لِلطَّاغِينَ مَآبًا

লিত্ত্বোয়া-গীনা মাআ-বাল্

সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল।

২৩

لابِثِينَ فِيهَا أَحْقَابًا

লা-বিছীনা ফীহা য় আহ্ক্ব-বা।

সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে।

২৪

لا يَذُوقُونَ فِيهَا بَرْدًا وَلا شَرَابًا

লা-ইয়াযূকুনা ফীহা য় র্বাদাঁও অলা-শার-বান্।

সেখানে তারা কোন শীতলতা আস্বাদন করবে নাএবং না কোন পানীয়।

২৫

إِلا حَمِيمًا وَغَسَّاقًا

ইল্লা-হামীমাঁও অগস্সা-ক্বন্

ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া।

২৬

جَزَاءً وِفَاقًا

জ্বাযা-য়াঁওওয়িফা-ক্ব-।

উপযুক্ত প্রতিফলস্বরূপ।

২৭

إِنَّهُمْ كَانُوا لا يَرْجُونَ حِسَابًا

ইন্নাহুম্ কা-নূ লা-ইর্য়াজুনা হিসা-বাঁও।

নিশ্চয় তারা হিসাবের আশা করত না।

২৮

وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كِذَّابًا

অকায্যাবূ বিআ-ইয়া-তিনা-কিয্যা-বা।

আর তারা আমার আয়াতসমূহকে সম্পূর্ণ রূপেঅস্বীকার করেছিল।

২৯

وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَاهُ كِتَابًا

অ কুল্লা শাইয়িন্ আহ্ছোয়াইনা-হুকিতা-বান্।

আর সব কিছুই আমি লিখিতভাবে সংরক্ষণ করেছি।

৩০

فَذُوقُوا فَلَنْ نَزِيدَكُمْ إِلا عَذَابًا

ফাযূকু ফালান্ নাযীদা কুম্ ইল্লা-‘আযা-বা-।

সুতরাং তোমরা স্বাদ গ্রহণ কর, আর আমি শুধুতোমার শাস্তি বাড়িয়ে দেব।

৩১

إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا

ইন্না লিল্মুত্তাক্বীনা মাফা-যা-

নিঃসন্দেহে মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা

৩২

حَدَائِقَ وَأَعْنَابًا

হাদা-য়িকা অআ’না-বাঁও।

বাগান এবং দ্রাক্ষাক্ষেত্র.

৩৩

وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًا

অ কাওয়া-‘ইবা আত্রবাঁও।

আর সমবয়সী তরুণীরা।

৩৪

وَكَأْسًا دِهَاقًا

অকা”সান্ দ্বিহা-ক্ব-।

আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।

৩৫

لا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا وَلا كِذَّابًا

লা-ইয়াস্মা‘ঊনা ফীহা- লাগ্ওয়াঁওঅলা-কিয্যা-বা-।

তারা সেখানে কোনো বাজে কথা শুনবে না।

৩৬

جَزَاءً مِنْ رَبِّكَ عَطَاءً حِسَابًا

জ্বাযা-য়াম্ র্মি রব্বিকা ‘আত্বোয়া-য়ান্হিসা-র্বা।

তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিতদানস্বরূপ।

৩৭

رَبِّ السَّمَاوَاتِ وَالأرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الرَّحْمَنِ لا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًا

রব্বিস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বিঅমা-বাইনাহুর্মা রহ্মা-নি লা-ইয়াম্লিকূনা মিন্হু খিত্বোয়া-বা-।

তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং এতদুভয়েরমধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, পরম করুণাময়। তারা তার সামনে কথা বলতে পারবে না।

৩৮

يَوْمَ يَقُومُ الرُّوحُ وَالْمَلائِكَةُ صَفًّا لا يَتَكَلَّمُونَ إِلا مَنْ أَذِنَ لَهُ الرَّحْمَنُ وَقَالَ صَوَابًا

ইয়াওমা ইয়াকুর্মু রূহু অল্মালায়িকাতুছোয়াফ্ফাল্ লাইয়াতাকাল্লামূনা ইল্লামান্ আযিনা লার্হু রহ্মা-নু অক্বলাছওয়াবা-।

সেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবেদাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আরসে সঠিক কথাই বলবে।

৩৯

ذَلِكَ الْيَوْمُ الْحَقُّ فَمَنْ شَاءَ اتَّخَذَ إِلَى رَبِّهِ مَآبًا

যা-লিকাল্ ইয়াওমুল্ হাককু ফামান্ শা-য়াত্তাখাযা ইলা রব্বিহী মায়া বা।

সেই দিন সত্য। সুতরাং যে তার রবের কাছেআশ্রয় চায়।

৪০

إِنَّا أَنْذَرْنَاكُمْ عَذَابًا قَرِيبًا يَوْمَ يَنْظُرُ الْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ الْكَافِرُ يَا لَيْتَنِي كُنْتُ تُرَابًا

ইন্না য় আর্ন্যানা-কুম্ ‘আযাবান্ক্বারীবাঁই ইয়াওমা ইয়ান্জুরুল্ র্মায়ু মা-ক্বদ্দামাত্ ইয়াদা-হু অইয়াকুলুল্কাফিরু ইয়ালাইতানী কুন্তু তুরবা-।

নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে একটি নিকটবর্তী আযাবসম্পর্কে সতর্ক করলাম। যেদিন মানুষ দেখতে পাবে, তার দু হাত কী আগে প্রেরণ করেছেএবং কাফির বলবে ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম’!

পোস্ট ট্যাগ:

Dawatul Islam,Dawatul Islam  Bangladesh,Definitions of dawatul islam,Dawatul Islam UK,দাওয়াতুল ইসলাম,দাওয়াতুল ইসলামের,দাওয়াতুল ইসলাম বাংলাদেশ,দাওয়াতুল ইসলাম ইউকে,বাংলা হাদিস,কোরআন ও হাদিসের আলোকে,কুরআন হাদিস বিষয়ক,কুরআন পাঠ,মানবজীবনে কুরআন হাদীস,কুরআন, হাদিস ও বিজ্ঞান,বাংলা কুরআন ও হাদীস

সব সংবাদ