Dawatul Islam | সুরা মুরসালাত- উচ্চারণ ও অনুবাদ

বৃহস্পতিবার, ০২, এপ্রিল, ২০২৬ , ১৯ চৈত্র ১৪৩২

সুরা মুরসালাত- উচ্চারণ ও অনুবাদ
২৩ মার্চ ২০২৪ ০৩:৩৮ মিনিট

সূরার নাম :  মুরসালাত

অর্থ : প্রেরিত পুরুষগণ

সূরা নং : ৭৭

রুকু :

আয়াত: ৫০

সিজদা: ০

শব্দ:

পারা : ২৯

অক্ষর:

মক্কায় অবতীর্ণ

بِسْمِاللّهِالرَّحْمـَنِالرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

নং

আরবি

উচ্চারণ

অনুবাদ

وَٱلْمُرْسَلَٰتِ عُرْفًا

ওয়াল মুরছালা- তি ‘উরফা- ।

কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,

فَٱلْعَٰصِفَٰتِ عَصْفًا

ফাল ‘আ- সিফা- তি ‘আসফা- ।

সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,

وَٱلنَّٰشِرَٰتِ نَشْرًا

ওয়ান্না- শিরা- তি নাশরা- ।

মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ

فَٱلْفَٰرِقَٰتِ فَرْقًا

ফালফা- রিকা- তি ফারকা- ।

মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং

فَٱلْمُلْقِيَٰتِ ذِكْرًا

ফাল মুলকিয়া-তি যিকরা- ।

ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ-

عُذْرًا أَوْ نُذْرًا

‘উযরান আও নুযরা- ।

ওযর-আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে।

إِنَّمَا تُوعَدُونَ لَوَٰقِعٌ

ইন্নামা- তূ‘আদূনা লাওয়া-কি‘।

নিশ্চয়ই তোমাদেরকে প্রদত্ত ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে।

فَإِذَا ٱلنُّجُومُ طُمِسَتْ

ফাইযান নুজূমুতুমিছাত।

অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,

وَإِذَا ٱلسَّمَآءُ فُرِجَتْ

ওয়া ইযাছছামাউ ফুরিজাত।

যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,

১০

وَإِذَا ٱلْجِبَالُ نُسِفَتْ

ওয়া ইযাল জিবা-লুনুছিফাত।

যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং

১১

وَإِذَا ٱلرُّسُلُ أُقِّتَتْ

ওয়া ইযাররুছুলুউককিতাত।

যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,

১২

لِأَىِّ يَوْمٍ أُجِّلَتْ

লিআইয়ি ইয়াওমিন উজ্জিলাত।

এসব বিষয় কোন দিবসের জন্যে স্থগিত রাখা হয়েছে?

১৩

لِيَوْمِ ٱلْفَصْلِ

লিইয়াওমিল ফাসল;

বিচার দিবসের জন্য।

১৪

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ

ওয়ামাআদরা-কা মা- ইয়াওমুল ফাসল।

 আপনি জানেন বিচার দিবস কি?

১৫

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন।

 সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

১৬

أَلَمْ نُهْلِكِ ٱلْأَوَّلِينَ

আলাম নুহলিকিল আওওয়ালীন।

 আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি?

১৭

ثُمَّ نُتْبِعُهُمُ ٱلْءَاخِرِينَ

ছু ম্মা নুতবি‘উহুমুল আ-খিরীন।

অতঃপর তাদের পশ্চাতে প্রেরণ করব পরবর্তীদেরকে।

১৮

كَذَٰلِكَ نَفْعَلُ بِٱلْمُجْرِمِينَ

কাযা-লিকা নাফ‘আলুবিলমুজরিমীন।

 অপরাধীদের সাথে আমি এরূপই করে থাকি।

১৯

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন।

 সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

২০

أَلَمْ نَخْلُقكُّم مِّن مَّآءٍ مَّهِينٍ

আলাম নাখলুককুম মিম মাইম্মাহীন।

 আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি?

২১

فَجَعَلْنَٰهُ فِى قَرَارٍ مَّكِينٍ

ফাজা‘আলনা-হু ফী কারা-রিম মাকীন।

অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সংরক্ষিত আধারে,

২২

إِلَىٰ قَدَرٍ مَّعْلُومٍ

ইলা- কাদারিমমা‘লূম।

এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত,

২৩

فَقَدَرْنَا فَنِعْمَ ٱلْقَٰدِرُونَ

ফাকাদারনা- ফানি‘মাল কা-দিরূন।

 অতঃপর আমি পরিমিত আকারে সৃষ্টি করেছি, আমি কত সক্ষম স্রষ্টা?

২৪

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

২৫

أَلَمْ نَجْعَلِ ٱلْأَرْضَ كِفَاتًا

আলাম নাজ ‘আলিল আরদা কিফা-তা- ।

আমি কি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারিণীরূপে,

২৬

أَحْيَآءً وَأَمْوَٰتًا

আহইয়াআওঁ ওয়া আমওয়া-তা- ।

জীবিত ও মৃতদেরকে?

২৭

وَجَعَلْنَا فِيهَا رَوَٰسِىَ شَٰمِخَٰتٍ وَأَسْقَيْنَٰكُم مَّآءً فُرَاتًا

ওয়া জা‘আলনা-ফীহা-রাওয়া-ছিয়া শা-মিখা-তিওঁ ওয়া আছকাইনা-কুমমাআন ফুরাতা- ।

আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা এবং পান করিয়েছি তোমাদেরকে তৃষ্ণা নিবারণকারী সুপেয় পানি।

২৮

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

২৯

ٱنطَلِقُوٓا۟ إِلَىٰ مَا كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ

ইনতালিকূইলা- মা- কুনতুম বিহী তুকাযযিবূন।

চল তোমরা তারই দিকে, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।

৩০

ٱنطَلِقُوٓا۟ إِلَىٰ ظِلٍّ ذِى ثَلَٰثِ شُعَبٍ

ইনতালিকূইলা-জিলিলন যী ছালা-ছিশু‘আব।

চল তোমরা তিন কুন্ডলীবিশিষ্ট ছায়ার দিকে,

৩১

لَّا ظَلِيلٍ وَلَا يُغْنِى مِنَ ٱللَّهَبِ

লা- জালীলিওঁ ওয়ালা- ইউগনী মিনাল্লাহাব।

যে ছায়া সুনিবিড় নয় এবং অগ্নির উত্তাপ থেকে রক্ষা করে না।

৩২

إِنَّهَا تَرْمِى بِشَرَرٍ كَٱلْقَصْرِ

ইন্নাহা- তারমী বিশারারিন কাল কাসরি।

এটা অট্টালিকা সদৃশ বৃহৎ স্ফুলিংগ নিক্ষেপ করবে।

৩৩

كَأَنَّهُۥ جِمَٰلَتٌ صُفْرٌ

কাআন্নাহূজিমা-লাতুন সুফর।

যেন সে পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী।

৩৪

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

৩৫

هَٰذَا يَوْمُ لَا يَنطِقُونَ

হা-যা- ইয়াওমুলা- ইয়ানতিকূন।

এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।

৩৬

وَلَا يُؤْذَنُ لَهُمْ فَيَعْتَذِرُونَ

ওয়ালা- ইউ’যানুলাহুম ফাইয়া‘তাযিরূন।

এবং কাউকে তওবা করার অনুমতি দেয়া হবে না।

৩৭

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

৩৮

هَٰذَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ جَمَعْنَٰكُمْ وَٱلْأَوَّلِينَ

হা-যা- ইয়াওমুল ফাসলি জামা‘না-কুম ওয়াল আওওয়ালীন।

এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।

৩৯

فَإِن كَانَ لَكُمْ كَيْدٌ فَكِيدُونِ

ফাইন কা-না লাকুম কাইদুন ফাকীদূন।

অতএব, তোমাদের কোন অপকৌশল থাকলে তা প্রয়োগ কর আমার কাছে।

৪০

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

৪১

إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى ظِلَٰلٍ وَعُيُونٍ

ইন্নাল মুত্তাকীনা ফী জিলালিওঁ ওয়া‘উয়ূন।

নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে-

৪২

وَفَوَٰكِهَ مِمَّا يَشْتَهُونَ

ওয়া ফাওয়া-কিহা মিম্মা- ইয়াশতাহূন।

এবং তাদের বাঞ্ছিত ফল-মূলের মধ্যে।

৪৩

كُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ هَنِيٓـًٔۢا بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

কুলূওয়াশরাবূহানীআম বিমা- কুনতুম তা‘মালূন।

বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার বিনিময়ে তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।

৪৪

إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ

ইন্না- কাযা-লিকা নাজঝিল মুহছিনীন।

এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।

৪৫

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

৪৬

كُلُوا۟ وَتَمَتَّعُوا۟ قَلِيلًا إِنَّكُم مُّجْرِمُونَ

কুলূ ওয়াতামাত্তা‘ঊ কালীলান ইন্নাকুম মুজরিমূন।

কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও। তোমরা তো অপরাধী।

৪৭

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

দিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

৪৮

وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱرْكَعُوا۟ لَا يَرْكَعُونَ

ওয়া ইযা- কীলা লাহুমুরকা‘ঊ লা-ইয়ারকা‘ঊন।

যখন তাদেরকে বলা হয়, নত হও, তখন তারা নত হয় না।

৪৯

وَيْلٌ يَوْمَئِذٍ لِّلْمُكَذِّبِينَ

ওয়াইলুইঁ ইয়াওমাইযিল লিলমুকাযযিবীন ।

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

৫০

فَبِأَىِّ حَدِيثٍۭ بَعْدَهُۥ يُؤْمِنُونَ

ফাবিআইয়ি হাদীছিম বা‘দাহূইউ’মিনূন।

এখন কোন কথায় তারা এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে?

পোস্ট ট্যাগ:

Dawatul Islam,Dawatul Islam  Bangladesh,Definitions of dawatul islam,Dawatul Islam UK,দাওয়াতুল ইসলাম,দাওয়াতুল ইসলামের,দাওয়াতুল ইসলাম বাংলাদেশ,দাওয়াতুল ইসলাম ইউকে,বাংলা হাদিস,কোরআন ও হাদিসের আলোকে,কুরআন হাদিস বিষয়ক,কুরআন পাঠ,মানবজীবনে কুরআন হাদীস,কুরআন, হাদিস ও বিজ্ঞান,বাংলা কুরআন ও হাদীস

সব সংবাদ