Dawatul Islam | সুরা আল বুরুজ- উচ্চারণ, অনুবাদ ও ব্যাখ্যা

সোমবার, ১৮, মে, ২০২৬ , ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সুরা আল বুরুজ- উচ্চারণ, অনুবাদ ও ব্যাখ্যা
০২ নভেম্বর ২০২৩ ০৮:০০ মিনিট

সূরার নাম : আল বুরুজ

অর্থ : নক্ষত্রপুঞ্জ

সূরা নং : ৮৫

রুকু : ১

আয়াত: ২২

সিজদা: ০

শব্দ: ১০৯

পারা : ৩০

অক্ষর: ৪৬৫

মক্কায় অবতীর্ণ

 

নং

আরবি

উচ্চারণ

অনুবাদ

وَ السَّمَآءِ ذَاتِ الۡبُرُوۡجِ

ওয়াছ ছামাই যা-তিল বুরূজ।

কক্ষপথ বিশিষ্ট আসমানের কসম,

وَ الۡیَوۡمِ الۡمَوۡعُوۡدِ

ওয়াল ইয়াওমিল মাও‘ঊদ।

আর ওয়াদাকৃত দিনের কসম,

وَ شَاهِدٍ وَّ مَشۡهُوۡدٍ

ওয়া শা-হিদিওঁ ওয়া মাশহূদ।

আর কসম সাক্ষ্যদাতার এবং যার ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়া হবে তার,

قُتِلَ اَصۡحٰبُ الۡاُخۡدُوۡدِ

কুতিলা আসহা-বুল উখদূদ ।

ধ্বংস হয়েছে গর্তের অধিপতিরা,

النَّارِ ذَاتِ الۡوَقُوۡدِ

আন্না-রি যা-তিল ওয়াকূদ।

(যাতে ছিল) ইন্ধনপূর্ণ আগুন।

اِذۡ هُمۡ عَلَیۡهَا قُعُوۡدٌ

ইযহুম ‘আলাইহা-কু‘ঊদ।

যখন তারা তার কিনারায় উপবিষ্ট ছিল।

وَّ هُمۡ عَلٰی مَا یَفۡعَلُوۡنَ بِالۡمُؤۡمِنِیۡنَ شُهُوۡدٌ

ওয়া হুম ‘আলা-মা-ইয়াফ‘আলূনা বিলমু’মিনীনা শুহূদ।

আর তারা মুমিনদের সাথে যা করছিল তার প্রত্যক্ষদর্শী।

وَ مَا نَقَمُوۡا مِنۡهُمۡ اِلَّاۤ اَنۡ یُّؤۡمِنُوۡا بِاللّٰهِ الۡعَزِیۡزِ الۡحَمِیۡدِ

ওয়া মা-নাকামূমিনহুম ইল্লাআইঁ ইউ’মিনূবিল্লা-হিল ‘আঝীঝিল হামীদ।

আর তারা তাদেরকে নির্যাতন করেছিল শুধুমাত্র এ কারণে যে, তারা মহাপরাক্রমশালী প্রশংসিত আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল।

الَّذِیۡ لَهٗ مُلۡکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ وَ اللّٰهُ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ شَهِیۡدٌ

আল্লাযী লাহূমুলকুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়াল্লা-হু ‘আলা-কুল্লি শাইয়িন শাহীদ।

আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব যার। আর আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী।

১০

اِنَّ الَّذِیۡنَ فَتَنُوا الۡمُؤۡمِنِیۡنَ وَ الۡمُؤۡمِنٰتِ ثُمَّ لَمۡ یَتُوۡبُوۡا فَلَهُمۡ عَذَابُ جَهَنَّمَ وَ لَهُمۡ عَذَابُ الۡحَرِیۡقِ

ইন্নাল্লাযীনা ফাতানুলমু’মিনীন ওয়াল মু’মিনা-তি ছু ম্মা লাম ইয়াতূবূফালাহুম ‘আযা-বু জাহান্নামা ওয়া লাহুম ‘আযা-বুল হারীক।

নিশ্চয় যারা মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে আযাব দেয়, তারপর তাওবা করে না, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আযাব। আর তাদের জন্য রয়েছে আগুনে দগ্ধ হওয়ার আযাব।

১১

اِنَّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَهُمۡ جَنّٰتٌ تَجۡرِیۡ مِنۡ تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ ۬ؕؑ ذٰلِکَ الۡفَوۡزُ الۡکَبِیۡرُ

ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি লাহুম জান্না-তুন তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু যা-লিকাল ফাওঝুল কাবীর।

নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। যার তলদেশে প্রবাহিত হবে নহরসমূহ। এটাই বিরাট সফলতা।

১২

اِنَّ بَطۡشَ رَبِّکَ لَشَدِیۡدٌ

ইন্না বাতশা রাব্বিকা লাশাদীদ।

নিশ্চয় তোমার রবের পাকড়াও বড়ই কঠিন।

১৩

اِنَّهٗ هُوَ یُبۡدِئُ وَ یُعِیۡدُ

ইন্নাহূহুওয়া ইউবদিউ ওয়া ইউ‘ঈদ।

নিশ্চয় তিনি সৃষ্টির সূচনা করেন এবং তিনিই পুনরায় সৃষ্টি করবেন।

১৪

وَ هُوَ الۡغَفُوۡرُ الۡوَدُوۡدُ

ওয়া হুওয়াল গাফূরুল ওয়াদূদু।

আর তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, প্রেমময়।

১৫

ذُو الۡعَرۡشِ الۡمَجِیۡدُ

যুল ‘আরশিল মাজীদ।

আরশের অধিপতি, মহান।

১৬

فَعَّالٌ لِّمَا یُرِیۡدُ

ফা‘‘আ-লুলিলমা-ইউরীদ।

তিনি তা-ই করেন যা চান ।

১৭

هَلۡ اَتٰىکَ حَدِیۡثُ الۡجُنُوۡدِ

হাল আতা-কা হাদীছুল জুনূদ।

তোমার কাছে কি সৈন্যবাহিনীর খবর পৌঁছেছে?

১৮

فِرۡعَوۡنَ وَ ثَمُوۡدَ

ফির‘আওনা ওয়া ছামূদ।

ফির‘আউন ও সামূদের।

১৯

بَلِ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا فِیۡ تَکۡذِیۡبٍ

বালিল্লাযীনা কাফারূফী তাকযীব ।

বরং কাফিররা মিথ্যারোপে লিপ্ত।

২০

وَّ اللّٰهُ مِنۡ وَّرَآئِهِمۡ مُّحِیۡطٌ

ওয়াল্লা-হু মিওঁ ওয়ারাইহিম মুহীত।

আর আল্লাহ তাদের অলক্ষ্যে তাদের পরিবেষ্টনকারী।

২১

بَلۡ هُوَ قُرۡاٰنٌ مَّجِیۡدٌ

বাল হুওয়া কুরআ-নুমমাজীদুন।

বরং তা সম্মানিত কুরআন।

২২

فِیۡ لَوۡحٍ مَّحۡفُوۡظٍ

ফী লাওহিম মাহফূজ।

সুরক্ষিত ফলকে (লিপিবদ্ধ)।

 

শানে নুযুল :

সূরাটি রাসূলুল্লাহ স.-এর মক্কীজীবনে নাযিলকৃত সূরাগুলোর মধ্যে একটি। যখন মক্কার কাফেররা মুসলিমদের ওপর অমানুষিক অত্যাচার ও জুলুম-নির্যাতন করে তাদেরকে ঈমান হতে ফিরিয়ে রাখার চেষ্টা করছিল ঠিক ওই সময় এই সূরাটি নাযিল হয়।

বিষয়বস্তু

ঈমানদারদের ওপর কাফেররা যে জুলুম করছিল সে সম্পর্কে তাদেরকে সতর্ক করা এবং ঈমানদারদেরকে এই মর্মে সান্ত্বনা দেয়া যে, যদি তারা এসব জুলুম -নিপীড়নের মোকাবিলায় অবিচল থাকে তাহলে তারা এর জন্য সর্বোত্তম পুরস্কার পাবে এবং আল্লাহ নিজেই জালেমদের থেকে বদলা নেবেন।

এখানে আসহাবুল উখদূদের (গর্ত ওয়ালাদের )কাহিনী শুনানো হয়েছে । তারা ঈমানদারদেরকে আগুনে ভরা গর্তে ফেলে দিয়ে পুড়িয়ে মেরেছিল। এ কাহিনীর মাধ্যমে মু’মিন ও কাফেরদেরকে কয়েকটি কথা বুঝানো হয়েছে । এক, গর্তওয়ালারা যেমন আল্লাহর অভিশাপ ও তাঁর শাস্তির অধিকারী হয়েছে তেমনি মক্কার মুশরিক সরদাররাও তার অধিকারী হচ্ছিল। দুই, ঈমানদাররা যেমন তখন ঈমান ত্যাগ করার পরিবর্তে আগুনে ভরা গর্তে নিক্ষিপ্ত হয়ে জীবন দেয়াকে বেছে নিয়েছিল , ঠিক তেমনিভাবে এখনও ঈমানদারদের ঈমানের পথ থেকে সামান্যতমও বিচ্যুত না হয়ে সব রকমের কঠিনতম শাস্তি ভোগ করা উচিত। তিন, যে আল্লাহকে মেনে নেবার কারণে কাফেররা বিরোধী হয়ে গেছে এবং ঈমানদাররা তাদের মেনে নেবার ওপর অবিচল রয়েছে, তিনি সবার ওপর ক্ষমতাশালী ও বিজয়ী, তিনি পৃথিবী ও আকাশের কর্তৃত্বের অধিকারী, নিজের সত্তায় তিনি নিজেই প্রশংসার অধিকারী এবং তিনি উভয় দলের অবস্থা দেখছেন। কাজেই নিশ্চিতভাবেই কাফেররা তাদের কুফরীর কারণে কেবল জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে না বরং এই সংগে নিজেদের জুলুম নিপীড়নের শাস্তিও তারা ভোগ করবে আগুনে দগ্ধীভূত হয়ে। অনুরূপভাবে যারা ঈমান এনে সৎকাজ করেছে তারা নিশ্চিতভাবে জান্নাতে যাবে এবং এটিই বৃহত্তম সাফল্য। তারপর কাফেরদেরকে এ মর্মে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে যে , আল্লাহ অত্যন্ত শক্ত ও কঠোভাবে পাকড়াও করে থাকেন । যদি তোমরা নিজেদের বিরাট দলীয় শক্তির ওপর ভরসা করে থাকো তাহলে তোমাদের চাইতে বড় দলীয় শক্তির অধিকারী ছিল ফেরাউন ও সামুদরা। তাদের সেনাবাহিনীর পরিণাম থেকে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো। আল্লাহর অসীম শক্তি তোমাদেরকে চারদিকে থেকে ঘিরে আছে । এই ঘেরাও কেটে বের হবার ক্ষমতা তোমাদের নেই। আর যে কুরআনকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার জন্য তোমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছো , তার প্রত্যেকটি শব্দ অপরিবর্তনীয়। এই কুরআনের প্রতিটি শব্দ লওহে মাহফুযের গায়ে এমনভাবে খোদিত আছে যে হাজার চেষ্টা করেও কেউও তা বদলাতে পারবে না।

আসহাবুল উখদূদের সংক্ষিপ্ত কাহিনীঃ

অনেক আগে এক বাদশার একটি যাদুকর ও গণক ছিল। যখন সে বৃদ্ধাবস্থায় উপনীত হল, তখন সে বাদশাহকে বলল, আমাকে একটি বুদ্ধিমান বালক দিন, যাকে আমি এই বিদ্যা শিক্ষা দেব। সুতরাং বাদশাহ সেই রকম বুদ্ধিমান বালক খোঁজ করে তাকে তার কাছে সমর্পণ করলেন। ঐ বালকের পথে এক পাদরিরও ঘর ছিল। বালকটি পথে আসা-যাওয়ার সময় সেই পাদরির নিকট গিয়ে বসত এবং তার কথা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করত, যা তাকে ভালও লাগত। এ ভাবেই তার আসা যাওয়া অব্যাহত থাকে। একদা এই বালকটির যাওয়ার পথে এক বৃহদাকার জন্তু (বাঘ অথবা সাপ) বসেছিল; যে মানুষের আসা-যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে রেখেছিল। বালকটি চিন্তা করল, আজকে আমি পরীক্ষা করব যে, যাদুকর সত্য, না পাদরি। সে একটি পাথরের টুকরা কুড়িয়ে বলল, ‘হে আল্লাহ! যদি পাদরির আমল তোমার নিকট যাদুকরের আমল থেকে উত্তম এবং পছন্দনীয় হয়, তাহলে এই জন্তুকে মেরে ফেল; যাতে মানুষের আসা-যাওয়ার পথ চালু হয়ে যায়।’ এই বলে বালকটি পাথর ছুড়লে জন্তুটি মারা গেল। এবার বালকটি পাদরির নিকট গিয়ে সব কথা বিস্তারিত বলল। পাদরি বললেন, ‘হে বৎস! এবার দেখছি তুমি পূর্ণ দক্ষতায় পৌঁছে গেছ। এবার তোমার পরীক্ষা শুরু হতে চলেছে। কিন্তু এই পরীক্ষা অবস্থায় আমার নাম তুমি প্রকাশ করবে না।’ এই বালকটি জন্মান্ধত্ব, ধবল প্রভৃতি রোগের চিকিৎসাও করত; তবে তা আল্লাহর উপর বিশ্বাসের উপর শর্ত রেখেই করত।
শর্তানুযায়ী বাদশার এক সহচরের অন্ধ চক্ষুকে আল্লাহর কাছে দু’আ করে ভাল করে দিল। বালকটি বলত যে, ‘যদি আপনি আল্লাহর উপর ঈমান আনেন, তাহলে আমি তাঁর নিকট দু’আ করব; তিনি আরোগ্য দান করবেন।’ সুতরাং সে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা জানালে তিনি রোগীকে আরোগ্য দান করতেন। এই খবর বাদশাহর নিকট পৌঁছলে, তিনি বড় উদ্বিগ্ন হলেন। কিছু সংখ্যক ঈমানদারকে তিনি হত্যা করে ফেললেন। আর এই বালকটির ব্যাপারে তিনি কয়েকটি লোককে ডেকে বললেন যে, ‘এই বালকটিকে উঁচু পাহাড়ের উপর নিয়ে গিয়ে নিচে ফেলে দাও।’ বালকটি আল্লাহর কাছে দু’আ করলে পাহাড় কাঁপতে লাগল; যার কারণে সে ছাড়া সকলেই পড়ে মারা গেল। বাদশাহ তখন বালকটিকে অন্য কিছু লোকের কাছে সমর্পণ করে বললেন, ‘একে একটি নৌকায় চড়িয়ে সমুদ্রের মধ্যস্থলে নিয়ে গিয়ে তাতে নিক্ষেপ কর।’ সেখানেও বালকটির দু’আর কারণে নৌকাটি উল্টে গেল।
যার ফলে সকলে পানিতে ডুবে মারা গেল। কিন্তু বালকটি বেঁচে গেল। এবার বালকটি বাদশাকে বলল, ‘যদি আপনি আমাকে হত্যাই করতে চান, তাহলে এর সঠিক পদ্ধতি হল এই যে, একটি খোলা ময়দানে লোকদেরকে জমায়েত করুন, আর ‘বিসমিল্লাহি রাব্বিল গুলাম’ (অর্থাৎ, বালকের প্রভুর নামে আরম্ভ করছি) বলে আমার প্রতি তীর নিক্ষেপ করুন; দেখবেন আমি মৃত্যু বরণ করব।’ বাদশাহ তাই করলেন। যার কারণে বালকটি মৃত্যু বরণ করল। সেই ঘটনাস্থলেই লোকেরা সোচ্চার হয়ে বলে উঠল যে, ‘আমরা এই বালকটির রবের (প্রভুর) উপর ঈমান আনলাম।’ বাদশাহ আরো অধিক উদ্বিগ্ন হলেন। অতএব তিনি তাদের জন্য গর্ত খনন করিয়ে তাতে আগুন জ্বালাতে আদেশ করলেন। অতঃপর হুকুম দিলেন যে, ‘যে ব্যক্তি ঈমান হতে ফিরে না আসবে, তাকে এই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ কর।’ এইভাবে ঈমানদার ব্যক্তিরা আসতে থাকল এবং আগুনে নিক্ষিপ্ত হতে থাকল। পরিশেষে একটি মহিলার পালা এল, যার সঙ্গে তার বাচ্চাও ছিল। সে একটু পশ্চাদপদ হল। কিন্তু বাচ্চাটি বলে উঠল, ‘আম্মাজান! ধৈর্য ধরুন। আপনি সত্যের উপরে আছেন।’ (সুতরাং সেও আগুনে শহীদ হয়ে গেল।) (সহীহ মুসলিম যুহদ অধ্যায় আসহাবে উখদূদ পরিচ্ছেদ)

পোস্ট ট্যাগ:

Dawatul Islam,Dawatul Islam  Bangladesh,Definitions of dawatul islam,Dawatul Islam UK,দাওয়াতুল ইসলাম,দাওয়াতুল ইসলামের,দাওয়াতুল ইসলাম বাংলাদেশ,দাওয়াতুল ইসলাম ইউকে,বাংলা হাদিস,কোরআন ও হাদিসের আলোকে,কুরআন হাদিস বিষয়ক,কুরআন পাঠ,মানবজীবনে কুরআন হাদীস,কুরআন, হাদিস ও বিজ্ঞান,বাংলা কুরআন ও হাদীস।

সব সংবাদ